আজ : ০৪:৪৮, ডিসেম্বর ১৮ , ২০১৭, ৩ পৌষ, ১৪২৪
শিরোনাম :

সুন্দরবন রক্ষার দাবীতে লন্ডনে সমাবেশ অনুষ্ঠিত

বিশ্ববাংলানিউজ২৪/আনছার আহমেদ উল্লাহ

আপডেট:০৭:২৯, জানুয়ারি ৭ , ২০১৭
photo

বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন, প্রাণবৈচিত্রের আধার, বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সুরক্ষা ও ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ সুন্দরবন রক্ষায় ভারত বাংলাদেশ যৌথ উদ্যোগে কয়লাভিত্তিক রামপাল বিদ্যুৎপ্রকল্প অবিলম্বে বাতিল ঘোষণার জোর দাবি জানানো হয়েছে ‘বিশ্বব্যাপী প্রতিবাদ দিবসে’ লন্ডনে অনুষ্ঠিত সমাবেশ থেকে। উল্লেখ্য, অবিলম্বে সুন্দরবন বিনাশী কয়লাভিত্তিক রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র বাতিলের দাবীতে তেল-গ্যাস-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির পক্ষ থেকে ৭ জানুয়ারী ২০১৭ বিশ্বজুড়ে প্রতিবাদ দিবস পালনের ডাক দেয়া হয়েছিল।
লন্ডনে অনুষ্ঠিত সমাবেশ থেকে বলা হয়, যুক্তরাজ্য, জার্মানি, সুইডেন, ন্যাদারল্যান্ডস, ফিনল্যান্ড সহ ইউরোপের দেশগুলি যখন বিগত শতকের নোংরা জ্বালানি হিসেবে খ্যাত কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের অবসান ঘটাতে যাচ্ছে তখন বাংলাদেশ সরকার আশ্চর্যজনকভাবে সুন্দরবন ধ্বংস করে হলেও রামপাল প্রকল্প বাস্তবায়নের পথে এগুচ্ছে। এমনকি ভারতের পরিবেশবাদীরাও বলছেন যে, রামপাল প্রকল্প সুন্দরবনের ধ্বংস সাধন করবে, অথচ বাংলাদেশ সরকার জনমত, যুক্তি ও বৈজ্ঞানিক তথ্য-উপাত্ত উপেক্ষা করে ভারতীয় ও দেশীয় লুটেরা গোষ্ঠির স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে রামপাল প্রকল্প বাস্তবায়নে জেদ ধরেছে। কেবল রামপাল বিদ্যুৎ প্রকল্পই নয়, সুন্দরবনকে ঘিরে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক লুটেরা গোষ্ঠি তৎপর হয়ে উঠেছে। অজস্র বাণিজ্যিক প্রকল্প নেয়া হচ্ছে সুন্দরবন সংলগ্ন অঞ্চলে, যা অবলুপ্তি ঘটাবে সুন্দরবনের। জনমত, জাতীয় ও বিশ্ব পরিবেশবাদীদের কথায় কর্ণপাত করে বাংলাদেশ সরকারকে ভ্রান্ত পথ থেকে সরে আসার জোরালো আহবান জানানো হয় লন্ডন সমাবেশ থেকে।
সমাবেশ থেকে আরো বলা হয়, সরকার মিথ্যা প্রচারণা ও বিভ্রান্তি ছড়ানো পথ বেছে নিয়েছে। বিভ্রান্তি ছড়িয়ে বা জুলুম নির্যাতন করে রামপাল প্রকল্প বাস্তবায়ন করা যাবে না। সুন্দরবন বাংলাদেশের জনগণের ও গোটা বিশ্বের মানুষের প্রাকৃতিক সম্পদ। তাই বাংলাদেশ ও গোটা দুনিয়ার মানুষ রামপাল অপচেষ্টার বিরুদ্ধে রুখে দাড়িছে।আজকের বিশ্বব্যাপী সমাবেশই তার প্রমাণ। প্রয়োজনে আরো দৃঢ় প্রতিরোধ গড়ে নোংরা জ্বালানি কয়লাভিত্তিক রামপাল প্রকল্প বাস্তবায়নে সরকারের নোংরা প্রচেষ্টাকে প্রতিহত করা হবে।
আজ বাংলাদেশের তেল গ্যাস রক্ষা কমিটি যুক্তরাজ্য শাখার উদ্যোগে আয়োজিত পূর্ব লন্ডনের আলতাব আলী পার্কে সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত সুন্দরবন সংহতি সমাবেশ বিভিন্ন বিশ্ব পরিবেশবাদী, কয়লা বিরোধী ও মানবতাবাদী সংগঠন এবং বিপুল সংখ্যক প্রবাসী ও যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্ররা সমাবেশে অংশ নেন। বিপুল সংখ্যক মানুষ সুন্দরবন ধ্বংসের আয়োজনে বাংলাদেশ সরকারের উদ্যোগকে প্রত্যাখান করে উচ্চস্বরে ‘না’ বলেছেন। ডা: কাজী মুখলিছুর রহমানের সভাপতিত্বে ও ড: আখতার সোবহান মাসরুরের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সবাবেশে বক্তব্য রাখেন বাসদ (মার্কসবাদী)’র মোস্তফা ফারুক, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির শাহরিয়ার বিন আলী,সৈয়দ এনাম, ওয়ালি রহমান, শাকুর হক, মিজানুর রহমান বাবলু, হিয়া ইসলাম, সিন্থিয়া, জেমস হিউট, পল হর্ন, উজেনস্ লারকিন প্রমুখ।



সাম্প্রতিক খবর

Swedish Nirmul Committee asks for Bangladesh genocide recognition

photo Ansar Ahmed Ullah::Leaders of the Swedish Nirmul Committee led by Shahriar Kabir, President of the Central Committee, met the ex-EU minister and eminent Swedish parliamentarian Birgitta Ohlsson, Liberal Party and Maria Weimar MP, Liberal Party on 14 December at the Swedish Parliament. Mr Kabir asked for recognition of Bangladesh genocide by the Swedish Parliament. Shahriar Kabir said, ‘Genocide not acknowledged encourages further genocides one of which we are now witnessing with Rohingyas in Burma’. He requested Swedish government. to use its influence on Burmese government for immediate repatriation of Rohingyas and the implementation of Anan Commission’s recommendations. He thanked Swedish government and their people for supporting Bangladesh on addressing Rohingya crisis. Ms Birgitta Ohlsson assured the Nirmul Committee delegation to use her good office for recognition of Bangladesh genocide. Nirmul Committee’s Swedish leaders informed the members of

বিস্তারিত

0 Comments

Add new comment