আজ : ০৪:৩২, জুলাই ৪ , ২০২০, ২০ আষাঢ়, ১৪২৭
শিরোনাম :

জগন্নাথপুরে এক কেজি ন্যায্য মূল্যের পিয়াজের আশায় হাজারও নারী-পুরুষে ভীড়

বিশ্ববাংলানিউজ২৪

আপডেট:১০:১৭, ডিসেম্বর ২ , ২০১৯
photo


জগন্নাথপুর(সুনামগঞ্জ)থেকে,ওয়াহিদুর রহমান ওয়াহীদঃসুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলায় ৪৫টাকা হারে ন্যায্য মূল্যে পিয়াজ ক্রয় করতে হাজারও নারী-পুরুষের সমাগম ঘটে উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে। জনতাকে সামাল দিতে গিয়ে আইন-শৃংখলা বাহিনীকে প্রচুর হিম-সিম পোহাতে হয়েছে।

(১ডিসেম্বর)রোববার সকাল থেকে জগন্নাথপুর উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে আনুষ্ঠানীক ভাবে টিসিবির ডিলার পলাশ ট্রডার্সের মাধ্যমে ৪৫টাকা দরে ন্যায্য মূল্যে পিয়াজ বিক্রি শুরু হয়। এ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে হাজারও নারী-পুরুষকে ১ কেজি পিয়াজ ন্যায্য মূল্যে ৪৫টাকা হারে ক্রয়ের প্রত্যাশায় অপেক্ষার প্রহর গুনতে দেখা যায়।বর্তমানে জগন্নাথপুরে প্রতি কেজি পিয়াজ ১৩৫ থেকে ১৮০টাকা খুচরা মূল্যে বিক্রি হচ্ছে। ন্যায্য মূল্য ৪৫টাকা করে পিয়াজ বিক্রির খবরা-খবর শুনা মাত্র উপজেলার নানা প্রান্ত থেকে ছুটে আসে সর্বস্হরের মানুষ।

জগন্নাথপুর উপজেলায় প্রথম বারের মতো টিসিবির ন্যায্য মূল্য ৪৫টাকা হারে পিয়াজ বিক্রি উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি জন-নেতা সিদ্দেক আহমদ। অন্যান্যের মধ্যে উপস্হিত ছিলেন জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্ম-কর্তা মাহফুজুল আলম মাসুম,পৌর কাউন্সিলর আবাব মিয়া,উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জয়দ্বীপ সূত্রধর বিরেন্দ্র,টিসিবি ডিলার ধনেশ চন্দ্র রায়,রানীগঞ্জ ইউপি আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ছদরুল ইসলাম,ব্যবসায়ী সিদ্দিকুর রহমান তালুকদার সহ বিভিন্ন শ্রেণী-পশার মানুষ।

এ-দিকে টিসিবির ডিলার ধনেশ চন্দ্র রায় জানান আজ প্রথম দিনেই ১ হাজার ক্রেতারদের মাঝে ৪৫টাকা মূল্যে পিয়াজ বিক্রি করতে পেরেছি। এখানে পিয়াজের প্রচুর চাহিদা রয়েছে।



সাম্প্রতিক খবর

জৈন্তাপুরে একই দিনে ভাইরাসে আক্রান্ত ১৬

photo জৈন্তাপুর (সিলেট) প্রতিনিধিঃসিলেট জৈন্তাপুর উপজেলায় কোভিড-১৯ করোনা ভাইরাসে আক্রন্তের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলছে। বর্তমানে জৈন্তাপুরে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৮৫জন। তার মধ্যে মৃত্যু বরণ করেছে ১জন, সুস্থ্য হয়েছেন ৪৮জন, নতুন নমুনা সংগ্রহ ৫ জন, ফলাফলের অপেক্ষায় রয়েছে ২২জন। জৈন্তাপুরে কোভিড-১৯ করোনা ভাইরাসের রিপোর্ট কয়েকদিন থেকে না আসায় থমকে ছিল ফলাফল, বর্তমানে ১৮ দিন পরে

বিস্তারিত

0 Comments

Add new comment